মিলির বিয়ে আগামী সপ্তাহে। বিয়ে ঠিক হবার পর থেকে ও নাকি ভীষন নার্ভাস। বউ জানালো কাল রাতে। এই সময়ে মেয়েদের ভালো গাইড করা দরকার। বিয়ের সময় সব মেয়েদের এরকম ভীতির সৃষ্টি হয়। তখন নিকটাত্মীয় বউদি, বড়বোন, ঘনিষ্ট বান্ধবী সেরকম কাউকে এগিয়ে আসতে হয়। ওর সেরকম ভরসা করার মতো কেউ নেই। ওকে অন্যান্য বিষয়ে আমিই গাইড করি সাধারনত এবং বউ বললো এই বিষয়েও জামাইবাবু হিসেবে আমার দায়িত্ব আছে। সে নিজে অতটা ভালো বলতে পারবে না। তাই শ্বশুরবাড়ীর সবাই চায় জামাইবাবু হিসেবে আমিই মিলিকে এই নার্ভাস অবস্থা থেকে স্বাভাবিক করা। বিড়ালের গলায় ঘন্টাটা আমাকে বাধতে হবে। নিমরাজী হলাম। বললাম বড়জোর তিনদিন চেষ্টা করবো, এতে না হলে হবে না। প্রথম দিন গেলাম। মিলি নিজেই এসে বলছে, জামাইবাবু আমার ভালো লাগছে না। বিয়ের জন্য এত তাড়াহুড়া করার দরকার কি। শালী জামাইবাবু কে বলল আমি চাকরী বাকরী করে বিয়ে করলে কি অসুবিধা। bondhur bou porokia choti মুদি দোকানদার তার বন্ধুর বউকে চুদলো বিয়ের তারিখ পড়ে গেছে এখন এসব বলে কোন লাভ নেই। ইইইই…….আমি পারবো না (কান্নার ভান করে মিলি) পাগলামি কোরো না, এটা এমন কোন ভয়ের কিছু নেই কিন্তু আমার ...
Posts
Showing posts from September, 2024
পারিবারিক ভোদার বাণিজ্য মেলা – 4
- Get link
- X
- Other Apps
দেখতে দেখতে ৪ টি বছর পের হয়ে গেলো। ভার্সিটিতে এক কন্যার প্রেমে পড়েছিলাম মনে মনে, কিন্তু তা পরিস্ফুটিত হওয়ার আগেই ধংস হয়ে গেলো। একদিন আমাকে বলে মামুন তুমার তো কোন চিন্তা নেই, পুনরায় বি বি এ তে ভর্তি হয়ে যাও, কেও বুঝবেনা তুমাকে দেখে। সবাই ভাব্বে তুমি এখনো কলেজেই পড়। মনে খুব বেথা পেলাম। তার পর থেকে শরীর বানানোর মিশনে নেমে গেলাম। সাথে প্রশংসা পাওয়ার মত ধোন রেখে তার পেকেট রেখেছি বাংলা সাবানের পেকেট এর মতো, এতে তো কেও বুঝবেনা যে বাংলা সাবান মানে একটা কিছু আছে, যা মেয়েরা খুবি মিস করে । সময় কাটানোর মত কম্পিউটার ছাড়া আমার আর কিছু নেই। বন্ধুদের সাথেও তেমন আড্ডা হয়না। আজ একজনের পাতলা পায়খানা তো কাল আরেকজনের আমাশয়, যাহ শালা বলে দিলাম আড্ডা মারবোনা তোদের সাথে মহাশয়। কম্পিঊটার নিয়ে এখন আমার কষ্ট আগের মত না। আগেরটাকে লাথি দিয়ে ফেলে ল্যাপটপ কিনেছি। ফেইসবুকে সময় কাটাই। একদিন ঘুরতে ঘুরতে এক বন্ধুর প্রফাইলে একটা মেয়েকে দেখে ভালো লাগে। আমি সাথে সাথে “এড রিকুয়েস্ট” পাঠিয়ে দিলাম, কিন্তু এখানেও অপমানিতো। কদিন বাদে দেখি রিকুয়েস্ট রিজেক্টেড। অবশ্য তাকে এতোই ভালো লেগেছে যে আবার রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছিলাম। অবশেষে সুন...
পারিবারিক ভোদার বাণিজ্য মেলা – 3
- Get link
- X
- Other Apps
আমি সন্ধায় উনার বাসায় গেলাম। বাসার কাছে এসে ফোন দিলাম। উনি বলল আমি আসতেছি কিছুক্ষন অপেক্ষা কর।* উনাদের বাসা ৫ তলা। আমি মহা ওজনের অকেজো বিরক্তিকর জিনিস্টা বয়ে নিয়ে উপরে উঠলাম। উপরে উঠে বাসায় বড় একটা তালা দেখে মেজাজ খুবি খারাপ হয়ে গেলো। আমি রিফাত মামাকে ফোন দিলাম আবার। রিফাত মামা হচ্ছেন ভাল্লুক মামার ভালো নাম। উনাকে বললাম বাসার সামনে তালা ঝুলছে। মামা বললেন বাহিরে গেছে মনে হয় কেনা কাটা করতে তুমি একটু অপেক্ষা কর এসে পরবে। আমি নিচে যেয়ে একটু চা বিড়ি খেয়ে আসব তাও পারছিনা, কারন নিচে গেলে আমার অকেজো হয়ে যাওয়া কম্পিউটারকে কে পাহারা দিবে। এটাকে নিয়ে আবার নিচে যেতে ইচ্ছে করছেনা। দাড়িয়ে আছি সিড়ির গোড়ায়। একটু পর পাশের বাসার দরজা খুলার শব্দ পেলাম। দেখলাম একজন মহিলা বের হয়ে আসলেন। অসম্ভব সুন্দরি এক মহিলা। এমন সেজে খুজে রেখেছে যেন উনি এখনি বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তবে মহিলার স্বাস্থ্য বেশ। উনার বয়স ৩৫ হবে। উনি আমার দিকে তাকালেন। লিপস্টিক দেয়া লাল ঠোট নারিয়ে একবার আমার দিকে তাকালেন আরেকবার আমার অকেজো মালটার দিকে তাকালেন। তারপর হাসি দিয়ে বললেন রিফাতদের বাসায় এসেছেন বুঝি? আমি বললাম জী। উনি আমার মামা হয়, শুনি এ...